লিল্লাহ বোর্ডিং
দরিদ্র ও এতিম ছাত্রদের খাবার ও আবাসনের ব্যয় বহন।
التبرعات
আপনার যাকাত, সাদাকা ও অনুদান একজন ছাত্রের কুরআন শেখার পথ খুলে দিতে পারে।
مَثَلُ الَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ كَمَثَلِ حَبَّةٍ أَنبَتَتْ سَبْعَ سَنَابِلَ
“যারা আল্লাহর পথে নিজেদের সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উপমা একটি বীজের মতো, যা সাতটি শীষ উৎপন্ন করে।” — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৬১
অনুদানের খাতসমূহ
দরিদ্র ও এতিম ছাত্রদের খাবার ও আবাসনের ব্যয় বহন।
শ্রেণিকক্ষ, দারুল ইক্বামা ও মসজিদের নির্মাণকাজে অংশগ্রহণ।
যাকাত, ফিতরা ও সাধারণ সাদাকা গ্রহণ ও যথাযথ খাতে ব্যয়।
যে কোনো পরিমাণ সাধারণ দান — ছাত্রদের খাবার, কিতাব, চিকিৎসা ও জামিয়ার দৈনন্দিন পরিচালনা ব্যয়ে ব্যবহৃত হয়।
বিস্তারিত জানুন
شاركنا في خدمة الدين
দ্বীনের এই মহৎ কাজে আপনিও অংশীদার হোন। একটি দ্বীনি প্রতিষ্ঠান শুধু একটি ভবন বা শিক্ষাকেন্দ্র নয়; এটি কুরআন-হাদিসের জ্ঞানচর্চা, আদর্শ মানুষ গঠন এবং সমাজের ভবিষ্যৎ নির্মাণের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
আমাদের শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও সুন্দর, সুসংগঠিত ও স্থায়ীভাবে এগিয়ে নিতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। আপনার সামান্য সহযোগিতাও একজন তালিবুল ইলমের জীবনে বড় পরিবর্তন আনতে পারে এবং দ্বীনি ইলমের প্রচার-প্রসারে আপনার জন্য সদকায়ে জারিয়ার মাধ্যম হতে পারে। আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী আজই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন।
প্রকল্প ১
একটি ভবন — অসংখ্য আলেম তৈরির স্বপ্ন
প্রতিদিন অসংখ্য শিক্ষার্থী কুরআন, হাদিস, ফিকহ, তাফসির ও আরবি ভাষায় জ্ঞান অর্জনের জন্য অধ্যয়ন করছে। শিক্ষার্থীর সংখ্যা ও শিক্ষা কার্যক্রম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজন হচ্ছে আরও উন্নত ও পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষের।
পরিকল্পিত একাডেমিক ভবন নির্মাণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য সুন্দর, নিরাপদ ও উপযোগী শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করা হবে; থাকবে প্রয়োজনীয় শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষা-সহায়ক ব্যবস্থা।
আপনার দান একটি ইট, একটি কক্ষ কিংবা একটি পূর্ণাঙ্গ অবকাঠামো নির্মাণে ভূমিকা রাখতে পারে। আজ যে ভবন নির্মাণে সহযোগিতা করবেন, আগামী দিনে সেখান থেকেই অসংখ্য আলেম, হাফেজ ও দ্বীনের খাদেম গড়ে উঠতে পারেন।
প্রকল্প ২
যেখানে কুরআনের তিলাওয়াত হবে, সিজদায় নত হবে অসংখ্য কপাল
মসজিদ মুসলমানের হৃদয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি পবিত্র স্থান। একটি মাদরাসার জন্য মসজিদ শুধু নামাজের স্থান নয়; এটি শিক্ষার্থীদের ইবাদত, তারবিয়াত ও আত্মশুদ্ধির অন্যতম কেন্দ্র।
আমাদের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও আশপাশের মুসল্লিদের জন্য একটি সুন্দর ও পর্যাপ্ত মসজিদ নির্মাণ করা প্রয়োজন।
মসজিদ নির্মাণে ব্যয়িত অর্থের বিনিময়ে সেখানে আদায় হওয়া নামাজ, তিলাওয়াত, জিকির ও তালিমের মাধ্যমে ইনশাআল্লাহ সওয়াবের দরজা খুলে যেতে পারে। আসুন, এমন একটি ঘর নির্মাণে অংশ নিই — যেখানে প্রতিদিন আল্লাহর নাম উচ্চারিত হবে।
প্রকল্প ৩
অর্থের অভাবে যেন কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর দ্বীনি শিক্ষা বন্ধ না হয়
অনেক মেধাবী ও আগ্রহী শিক্ষার্থী রয়েছে, যারা দ্বীনি শিক্ষা গ্রহণ করতে চায়; কিন্তু পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
আপনার সহযোগিতায় একজন দরিদ্র শিক্ষার্থীর ভর্তি, শিক্ষা উপকরণ, পোশাক, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহে সহায়তা করা সম্ভব হতে পারে। আজ একজন অসহায় শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ালে আগামী দিনে সে একজন আলেম হয়ে হাজারো মানুষের হেদায়াতের কারণ হতে পারে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: যাকাতের অর্থ প্রদান করতে চাইলে মাদরাসার দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে যাকাতের উপযুক্ত খাত ও শরিয়াহসম্মত ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে দান করুন।
প্রকল্প ৪
দূর-দূরান্ত থেকে আসা তালিবুল ইলমদের জন্য নিরাপদ আবাসন
দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শিক্ষার্থীরা এখানে আসে; তাদের অনেকেরই নিজস্ব আবাসনের ব্যবস্থা নেই। ফলে নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও শিক্ষাবান্ধব বোর্ডিং ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি।
একটি সুন্দর বোর্ডিং ব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের শুধু থাকার জায়গাই দেবে না; বরং নিয়মিত পড়াশোনা, ইবাদত, শৃঙ্খলা ও তারবিয়াতের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরি করবে। আপনার সহযোগিতা একজন দূরবর্তী এলাকার শিক্ষার্থীকে নিশ্চিন্তে দ্বীনি শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ করে দিতে পারে।
প্রকল্প ৫
একজন তালিবুল ইলমের খাবারের দায়িত্ব নিন
ইলম অর্জনের জন্য প্রয়োজন পরিশ্রম, সময় ও একাগ্রতা; আর এর জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত ও স্বাস্থ্যকর খাবার। আবাসিক শিক্ষার্থীদের নিয়মিত খাবারের ব্যবস্থা করা জামিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
অনেক শিক্ষার্থী সীমিত সামর্থ্যের পরিবার থেকে আসে। আপনি চাইলে একজন শিক্ষার্থীর এক বেলার খাবার, এক দিনের খাবার, এক সপ্তাহের খাবার কিংবা সামর্থ্য অনুযায়ী নিয়মিত খাবার ব্যয়ের অংশ বহন করতে পারেন।
আপনার দেওয়া খাবার একজন তালিবুল ইলমের শরীরে শক্তি জোগাবে; আর সেই শক্তি দিয়ে সে কুরআন পড়বে, হাদিস শিখবে এবং ভবিষ্যতে দ্বীনের খেদমত করবে — ইনশাআল্লাহ।
প্রকল্প ৬
আজকের স্বপ্ন — আগামী প্রজন্মের জন্য একটি স্থায়ী দ্বীনি ঠিকানা
একটি মানসম্মত ও সুসংগঠিত দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য প্রয়োজন নিজস্ব ও স্থায়ী ক্যাম্পাস। ভাড়া বা অস্থায়ী ব্যবস্থার পরিবর্তে একটি স্থায়ী ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠা করা আমাদের অন্যতম বড় লক্ষ্য।
এই ক্যাম্পাসে ধীরে ধীরে গড়ে উঠবে একাডেমিক ভবন, মসজিদ, ছাত্রাবাস ও বোর্ডিং, লাইব্রেরি ও গবেষণাকেন্দ্র, খাবারের ব্যবস্থা, প্রশাসনিক ভবন এবং শিক্ষার্থীদের উপযোগী পরিবেশসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো।
আপনি আজ যে জমি, ভবন কিংবা অবকাঠামো নির্মাণে সহযোগিতা করবেন, আগামী বহু বছর সেখানে শিক্ষার্থীরা ইলম অর্জন করতে পারে। আসুন, এমন একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলি — যার উপকার আমাদের জীবনের পরেও চলতে থাকে।
আপনার কাছে হয়তো একটি অনুদান সামান্য। কিন্তু একটি দরিদ্র শিক্ষার্থীর কাছে সেটিই হতে পারে তার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার অবলম্বন।
আপনার দেওয়া অর্থে হয়তো একটি ইট বসবে; কিন্তু সেই ইটের ওপর দাঁড়িয়ে তৈরি হতে পারে একটি মসজিদ, একটি শ্রেণিকক্ষ কিংবা একটি আবাসন — যেখানে বছরের পর বছর কুরআন-হাদিসের শিক্ষা চলবে।
আপনার দান হোক ইলমের পথে, দ্বীনের পথে, মানবতার পথে এবং সদকায়ে জারিয়ার পথে। আল্লাহ তাআলা আপনার দানকে কবুল করুন, আপনার রিজিকে বরকত দিন এবং দুনিয়া ও আখিরাতে উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমীন।
অনুদান পাঠানোর মাধ্যম
বিকাশ, নগদ অথবা সরাসরি ব্যাংক হিসাবে আপনার অনুদান পাঠাতে পারেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখা
জামিয়ার অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে নিরাপদে আপনার অনুদান পাঠাতে পারেন।
আপনার অনুদান গ্রহণqmmsoft.com
অনুদান, যাকাত বা কুরবানির চামড়া সরাসরি জামিয়ার অফিসে জমা দেওয়া যাবে। প্রতিটি অনুদানের যথাযথ রসিদ প্রদান করা হয়।